সমাস শর্টকাট টেকনিক

বাংলা ব্যাকরণ

আপনাদের হয়তো অনেকের সমাস নিয়ে সমস্যা হয়ে থাকে । তাই আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম সমাসের শর্টকাট টেকনিক। যার মাধ্যমে আপনি অতি সহজে সমাসকে নিজের মধ্যে আয়ত্ত করতে পারবেন বলে আসা করছি।

দ্বন্দ্ব -সমাস :- ও,এবং,আর -এই ৩টি অব্যয় থাকলে দ্বন্দ্ব সমাস হয় থাকে।

অলুক -দ্বন্দ্ব 🙁) ব্যাসবাক্যের মধ্যে অবস্থান করলে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস হয়।
দ্বিগু -সমাস :- ব্যসবাক্যে (“সমাহার“) থাকলে দ্বিগু সমাস হয়।
নঞ- তৎপুষ :- শুরুতে ( ““) থাকলে নঞ তৎপুষ।
উপপদ – তৎপুষ সমাস :- শেষে যদি (” যা”) থাকে তখন উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়ে থাকে।
অলুক- তৎপুরুষ :- পরিবর্তন যদি না হয় তখন অলুক তৎপুষ সমাস হয়।
কর্মধারায়-সমাস :- ব্যসবাক্যের মাঝে যদি (“যে“) থাকলে কর্মধারায় সমাস হয়ে থাকে ।
মধ্যপদলোপী- কর্মধারায় সমাস :- মাঝে “বিভক্তি” যদি “লোপ” পায় তাহলে মধ্যপদলোপী কর্মধারায় সমাস হয়।
উপমান-কর্মধারায় : মাঝে যদি ( “ন্যায়“) থাকে উপমান কর্মধারায় সমাস হয়ে থাকে।
উপমিত- কর্মধারায় : শেষে যদি ( “ন্যায়“) থাকে তখন উপমিত কর্মধারায় সমাস।
রুপক-কর্মধারায় :- মাঝে যদি ( “রুপ“) থাকে রুপক কর্মধারায় হয়।
বহুব্রীহি- সমাস :- শেষে যদি (“যার“) থাকলে বহুব্রীহি সমাস হয়ে থাকে।
ব্যতিহার-বহুব্রীহি :- কানাকানি, হাতাহাতি ইত্যাদি এইগুলো ব্যতিহার বহুব্রীহি ।
অব্যয়ীভাব-সমাস : “সমীপে”, “অতিক্রম”, “গমন”,”সদৃশ” “পর্যন্ত”, “অভাব” ইত্যাদি যদ থাকে অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
প্রাদি-সামাস : (প্রতি, অনু, প্র, পরা) থাকলে প্রাদি সমাস হয়।
নিত্য-সমাস 🙁 “অন্য“) দিয়ে যদি সমাস হয় তখন নিত্য সমাস।
কবিতা:
(ও,এবং, আর) এই তিন মিলে যদি হয় দ্বন্দ্ব,
সমাহারে দ্বিগু হলে নয় সেটা মন্দ।
যে যা তা যিনি তিনি কর্মধারায় সমাস ,
যে যার শেষে থাকলে বহুব্রীহি কয় তারে ।
অব্যয়ের অর্থ প্রাধান্য পেলে “অব্যয়ী” মেলে ,
বিভক্তি লোপ পেলে তখন তাকে তৎপুরুষ বলে।
বিঃদ্রঃ কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে।
সবাইকে ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *